বস্তু জগতের বাধা নিয়মের মাঝেই ছন্দোবদ্ধ পথ চলা, একে অপরকে পাশ কাটাকাটি। সহজে শৈবাল বলেই দিয়েছেন অন্ধকার ইকুয়াল টু কালো। সর্বত্র প্রবেশ প্রস্থানের দরজা নেই। তবে কি সেখানে আলো পৌঁছায় না! সেখানে কেবলই ধাক্কাধাক্কি গুঁতোগুঁতি! সত্য নয়। সবুর করো, দ্যাখো, আলোর ঝলকানি দেখতে পেয়েছ! এবার চেহারা এক বা একাধিক অথবা
Read Moreসেপ্টেম্বর ২০২৩
প্রচ্ছদ | সেপ্টেম্বর ২০২৩
সুব্রত-স্মরণ
শৈবালদা আজ আর নেই। নেই মানে নেই-ই! অনেকগুলো স্বপ্ন অনেকগুলো ভাবনার অবসান হয়ে গেল। সেই কবে থেকে চিনি। সেটা ১৯৭৮ সাল। আমার কলেজের অগ্রজ ছাত্র হিসাবে শিল্পী শৈবালদা ( জন্ম সাল ১৯৫৭ ) ছিল দমদম অঞ্চলের বাসিন্দা। উত্তর কলকাতার নাগরিক জীবনের মধ্যেই তাঁর চলাফেরা বেড়ে ওঠা। ইন্ডিয়ান আর্ট কলেজে তৃতীয়
Read More- অজিত কুমার দাস (জানুয়ারি ২০২৫, অষ্টবিংশ বর্ষ তৃতীয়-চতুর্থ সংখ্যায় প্রকাশিত অংশের পর) ৮ দেশের স্বাধীনতা আসছে। ভারতবর্ষ স্বাধীন হচ্ছে। আমরা স্বাধীন হচ্ছি। প্রমোদবাবু স্যার ব্যতিক্রমী চিন্তার মানুষ। ইংরাজ-ভক্ত। ১৯২০ সালে তিনি অসহযোগ আন্দোলনে যোগ দিয়ে কারাবরণ করেছিলেন। দুমাস পর কারামুক্ত হয়ে বাইরে এলেন একেবারে অন্য মানুষ। ইংরাজভক্ত সেই থেকে। তাঁর চিন্তাভাবনা, যুক্তি বিচার
Read More- অঞ্জন সেন আমাদের সময়ের শ্রেষ্ঠ এক লোকসংগীত শিল্পী শিবব্রত কর্মকার এই বছর ফেব্রুয়ারি মাসে লোকান্তরিত হলেন। ১৯৯০তে লোক বাদ্যযন্ত্র ও লালন ফকিরের ওপর রবীন্দ্র সদনে ভ্রমরার এক পালাগান অনুষ্ঠানে গিয়েছিলাম ও অনুষ্ঠানটি দেখে অভিভূত হয়েছিলাম। ওই দিনই আলাপ করি শিবব্রতর সঙ্গে, সঙ্গে ছিলেন তথাগত চক্রবর্তী। অনুষ্ঠানের আগে বাংলার লোকসংগীত
Read More- অশোক প্রামাণিক ১৯৯৮ সালের মাঝামাঝি আমরা মানে শ্যামবাজার ব্লাইন্ড অপেরার সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সক্রিয় মানুষজন অনেক আলোচনা শেষে, মঙ্গলকাব্যের অন্তর্গত ‘মনসামঙ্গল’ পালাগানটি একটি মিউজিকাল (অপেরাধর্মী) নাটক হিসেবে মঞ্চস্থ করার কথা ভাবি। স্ক্রিপ্ট তৈরি হয়ে যাওয়ার পর, স্বাভাবিকভাবেই প্রথমেই আমরা ভাবি, মিউজিকের জন্য কার কাছে যাওয়া হবে? শ্রদ্ধেয় দীনেন চৌধুরীর কাছে প্রস্তাব
Read More- শিবব্রত কর্মকার (কালধ্বনি ষড়বিংশ বর্ষ, প্রথম-দ্বিতীয় সংখ্যা, সেপ্টেম্বর, ২০২২ থেকে পুনমুর্দ্রিত) 'দেখেছি একতারা-হাতে চলেছে গানের ধারা বেয়ে’- রবীন্দ্রনাথ একতারা, দোতারা, সারিন্দা, সারিঙ্গা, খোল, ঢোল, বাঁশি, খমক, মন্দিরা, ঝাঁজ, কাঁসর, ঘণ্টা, মৃদঙ্গ ডুগডুগি, কর্তাল, ঢাক, বিষম ঢাক আরও কত কত সব লোকবাদ্যের আয়োজন-সমাহার বাংলার লোকসংগীতের পরম্পরা জুড়ে। বাদ্যযন্ত্রের তালিকা বেশ অনেকটাই বড়। বহু লোকবাদ্যযন্ত্র
Read More- পার্থ প্রতিম মৈত্র প্রিয় কমলিকা তুই বেঁচেবর্তে নিশ্চয়ই আছিস এই রূপালী নক্ষত্র ভরা ভোরেভূখণ্ডের প্রথম আলোক তোর নাকছাবি স্পর্শ করেপবিত্র পুরুষ হলে রাত্রিদোষ কেটে যায় তারএ সকালে সুস্থ হোক সকল সংসার আমিও আলোর মত ভেঙে ভেঙে ছড়িয়ে ছিটিয়ে আছি উপকূলময়সবুজ জলের দেহে বিম্বনে ধ্বংসের গান নির্দ্ধ্বারিত তিক্ত পরাজয়ফুলদানি ভেঙে গেলে মেঝেতে ছড়িয়ে
Read More- তীর্থঙ্কর চন্দ এটা পার্থর কোনো স্মরণলেখ নয়। আমি পার্থকে যেভাবে দেখেছি, সেটাও একটা লেখায় শেষ করা অসম্ভব। প্রায় পঞ্চাশ বছরের একটা সম্পর্ক। আর এটা যে আমাকে কোনোদিন লিখতে হবে, সেটাও ভাবিনি কখনো। যেন আমরা চিরকাল থাকবো, চলে যাবার কথা বলা মানে সময় নষ্ট করা! অবশ্য এখন ভাবি, মিঠুকে, মানে পার্থকে
Read More- অজিত কুমার দাস (সেপ্টেম্বর ২০২৪, অষ্টবিংশ বর্ষ প্রথম-দ্বিতীয় সংখ্যায় প্রকাশিত অংশের পর) ৫ মেহেরপুরে হিন্দুদের মন ভেঙে পড়ল। ভয়ের ভাব জেগে উঠল আবার। কিন্তু শহরের ভিতর সাধারণ মানুষের ভিতর তার প্রকাশ কম। সদাব্যস্ত জীবন। সংসার চালাবার চিন্তাতেই দিন যায়। মেহেরপুরের পরিবেশ গ্রামীণ। এখানে পাড়াগুলো বৃত্তিভিত্তিক। তাঁতিপাড়া, বারুইপাড়া, তিলিপাড়া, বামুনপাড়া। পাড়াতে ওইসব সম্প্রদায়ের
Read More(২৭ জানুয়ারি ১৯৬১ - ২১ জুন ২০২৪) আশি সালের শেষার্ধে PUCL অফিস ঘর ৩৫ বি নির্মল চন্দ্র স্ট্রিট থেকে চলে আসে কালধ্বনির ঘরে। ২/১ এ, আশুতোষ শীল লেন। দেবাশিস আইচের সঙ্গে কালধ্বনির পরিচয় সেই সূত্র ধরেই। সেসময় অন্য অনেকেরই ছিল আসাযাওয়া। ব্যক্তি ও সংগঠন। চেনাজানার গণ্ডি বেড়েই চলত। মতামতের ভিন্নতা বা
Read Moreকবিতা
– তাপস গঙ্গোপাধ্যায় বন্ধুতার বেশে মোহ যারে ধরে এসে সে বড়ো সাংঘাতিক আধুনিকে ধর্মের এই ছদ্মবেশ, ওরা আমাদের থেকে যারা শ্রমের প্রহরী, যারা তৈরী করে ঘন্টা ও দীপ ঘন্টাধ্বনি করে হৃদয়শীর্ষে আকাশপ্রদীপ জ্বালে ভাসায় গঙ্গায় প্রেমের শ্রমে মুগ্ধ যে সকল মানবমানবী সেই লক্ষ কোটি জনতার থেকে শিখে নিয়েছে কষ্টে ক্যামারাডারি শব্দটি, তর্জমা করেছে হাজারো ভাষায় সে সকল
Read More- গৌতম বন্দ্যোপাধ্যায় Siegfried Sassoon এবং Wilfred Owen দুজনের মিল আছে, অমিলও। দুজনেই প্রথম বিশ্বযুদ্ধে অংশ নিয়েছিলেন সৈনিক হয়ে। ফলে দুজনেই প্রত্যক্ষ অভিজ্ঞতায় জানতেন যুদ্ধ আসলে বীভৎসতা… সে অনুভব লেখা ছিল তাদের কবিতায়… রাষ্ট্রনির্মিত, আমাদের নির্বোধ পাতায় লেখা যুদ্ধের রোমান্স-রোমান্স গল্পের একেবারে বিপ্রতীপ সে অনুভব… ওনারা ভীরু ছিলেন তা নয় মোটেও;
Read More- অর্ঘ্যদীপ সবাই বলে, পৃথিবীটা নাকি খুব সুন্দর। আমি যেরকম ভাবি, তার থেকে অনেক বেশিসুন্দর এই পৃথিবী… আমারই দেখার চোখ ছিল না হয়তো,তাই দেখা হয়নি। দেখা হয়নি সমুদ্রদেখা হয়নি পাহাড়দেখা হয়নি দূর বরফের দেশেহলুদ মেপল পাতাবিষণ্ণ বাতাসে পাক খেতে খেতেঝরে যায় অবিরাম একা, একা, আরও একা হয়েকত দীর্ঘ পথ আমি হেঁটে গেছি মানুষের ভিড়েহয়নি দেখা
Read Moreসুন্দর মানুষ তো চিরকালই নিজেকে অতিক্রম করতে চায়-সেটুকু সেভাবে তার কোনো হয়ে ওঠারই নামান্তর।এখন তো চতুর্দিকে আত্মতন্ত্রের এক বিকট বিস্তারসর্বাত্মক দূষণ আর সামাজিক হিংস্রতা কি অঢেল।তাতে মানুষের কোন ধর্মের দিকে মানুষেরই ইতিহাস এগোবে?পৃথিবী কি আপনা থেকেই সত্যি ভাল হয়ে উঠতে পারে-উঠবেই তবে! রক্তকরবীতে ফাগুলালকে ডেকে শুনছি-এটা তো এখন:'কাছের পাওনা নিয়ে বাসনার দুঃখ
Read Moreমাছি উড়ছে খুব খুব মাছি উড়ছে ঘর বারান্দায়ওরা কি অসুস্থতার গন্ধ পায়?ফিনাইল ঢালছি মেঝেতে, ফল পাচ্ছি নাদুর্গন্ধ যাচ্ছে না এতো মাছি কোথা থেকে এলো?কখন জন্মালো?পায়ে যদি এইটুকু পুরীষ থাকে, তাওনষ্ট হতে পারে সব খাদ্যের সঞ্চয় তবে কি দরোজা বন্ধ করে দেবো?পাপোশে একটু কেরোসিন ছড়াবো?জানলার পাশে পতঙ্গভুক ধূপব্যস! মাছিরা সবাই চুপ… আমার কী হবে এখন,
Read Moreবৃষ্টি চাই একথা বলতেই পারি আমি বৃষ্টি চাইএখানে টিনের চালে ওখানে টালিতেশব্দ তাল মিশে গেলে ঝড়ের সওয়ারিনিভৃত স্পন্দন জাগে গভীর রাত্রিতে ঝড়ের দাপটে যেই আলো নিভে গেলকালো চাদরের মাতো আঁধারের স্তরএকাকী শব্দের টানে নির্দিষ্ট নিশানেউঠোনে ছড়িয়ে রেখে কিছু ফুল মালাকী প্রবল গতি যেন নিমেষ হারানোসবকিছু ফেলে রেখে হাহাকার ডানাজড়ালো তোমার মুখ, রাত্রি
Read Moreমেনোপজ শরতের যাই যাই আর শীতের আসি আসির মাঝেএকটা ছোট্ট হাইফেন আছে -হেমন্ত।সাদামাটা, কিন্তু আদুরে।লাজুক, কিন্তু জেদী।হুটোপাটি করে জানান দেয় না, কিন্তু গায়ে হেলান দিয়ে বসে।arrival, departure এ বড্ড চুপচাপ… আঙ্গুলেরফাঁক দিয়ে গলে যাওয়া সময়ের মতো। মায়া বাড়ে। এইসব আলসে দুপুরগুলো থেকেচুঁইয়ে পড়া অভিমানের কাছে চিবুক রাখি। জীবনআমাকে যা দেবো দেবো করেও দেয়নি
Read Moreঅপেক্ষায় তোমার কুসুম ওষ্ঠে পৌষধানের গন্ধ সরলতা নিয়েকিশোরী আসবে বলে অপেক্ষায় আছি।অপেক্ষায় আছি বৃক্ষের মৌনতায়।মেঘকে শিয়রে রেখে ‘ফটিক জল’ ‘ফটিক জল’চাতকের কন্ঠে শুধু তোমার জন্য ফ্রলাইনশুধু তোমার জন্য-নির্জন সেলে পেটা ঘড়ির সময়ের হিসেবেঅপেক্ষায় আছি। শীত কুয়াশায় মাখামাখিভোরের কিশোরী সাজি হাতে আসবে বলেনষ্ট সুখ বিড়ম্বনা ভুলেবহুসুখী থেকে সুখে আছি।চৌকাঠে ছড়িয়ে পা, মাথা রেখে
Read Moreঝোরার কাছে যাই আলো পশ্চিমে সরে এলে মনে হয়কতো কথা বাকি রয়ে গেলো এবারও বেলা বাড়লেই ওরা আসে!ভিখারী থালায় মাছভাতযথাযথ আলু দিয়ে, ঘাম মুছে,দুফালি পটল আরও--'খা! খা! আমাকেও খা!'এরপর রীণাদিরা ফিরে যায়-- ঘরে লোকটার বুকের হাপর, মেয়েটাওফিরে এলো কিছুকাল হলো,নাতিটা কাঁদে সারাক্ষণ…রীণাদির ব্যাগে রুটি নাকি লুকোনো পশমসে কাহিনী কথারা জানে না… কথা কি কবিতা
Read Moreশৈবম হরিপ্রিয়া সম্পর্কে বেশি কিছু জানা যায় না। শুধু এইটুকু জানা যায় যে তিনি মণিপুরের মেয়ে, মেইতেই সম্প্রদায়ের। একাধারে কবি ও জননী এবং তিনি উচ্চশিক্ষিত। এমনকি ইন্টারনেট ঘেঁটেও এর বেশি কিছু তথ্য পাওয়া যায় না। জানা যায় না তাঁর জন্মতারিখ, জানা যায় না মণিপুরের ঠিক কোন্ অঞ্চলের তিনি বাসিন্দা। তবে
Read Moreগল্প
- সন্দীপ রায় হুটারের শব্দটা আসছিল। এরপর হেডলাইটের আলো চোখে পড়াতে দীপনরা বুঝল, এবার আসছে। ইতিউতি ছড়ানো মানুষগুলো সচেতন হয়ে উঠল, একজায়গায় এসে জড়ো হল। বিকেলের আলো মরে আসছে। গাড়িটা এসে পড়েছে। সামনে লেখা ‘স্বর্গরথ’! এই সময়েও দীপন একটু হাসল। স্বর্গেই যেতে চেয়েছিল তাহলে চাঁদু দা? এইভাবে? পোশাকী নাম চন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়।
Read More- সুধীরকুমার শর্মা হন্তদন্তপ্রায় দ্বিজপদ ঘরে ঢুকেই হাত বাড়িয়ে সুইচ বাজালেন, টিপ বোতামি ইলেকট্রনিক রেগুলেটরের কান মুচড়ে তুললেন শেষ গিয়ারে, মান্ধাতাকেলে সিলিং ফ্যানটা জান লড়িয়ে কাঁচক্যাঁচাচ্ছে, বসে পড়লেন ধপাস হাতলওলা হেলান চেয়ারটায় নোটিস ছাড়াই যেটা তারই জন্য সংরক্ষিত, হাঁপাচ্ছেন, শান্ত হতে সময় খাবে। একটু ধাতে ফিরছিলেন, তখনই, হঠাৎই তার চোখ ঝাপসা
Read More- সৌমী আচার্য্য এক গোপন কথাটি পিছনে ফিরতে ইচ্ছে করছিল না কিছুতেই। কী যেন হাতছানি দিয়ে ডেকে চলেছে সিমিকাকে। কে আছে ওখানে? কী আছে? কুয়াশা ক্রমশ ঘন। সাদা অন্ধকারের ভিতর কয়েকটা কালো ঝাপসা দাগ, ওগুলো পাইন বা রডোড্রেনডন হবে হয়ত। ওখানেই কী সে আছে। হয়ত অপেক্ষা করছে সিমিকার জন্য। যে কথাগুলো বলা হয়নি
Read More- সন্দীপ রায় এই অনাথিনীকে দিয়েই শুরু করা যাক। সৃষ্টির সেই আদিম লগ্নে এর জন্ম। তারপর যা হয় এসব ক্ষেত্রে, কত রোদের আদর, কত বৃষ্টির সোহাগ, কত ঝড়ের তাণ্ডব সয়ে এরা বাড়তে থাকে। বাড়া মানে তো আড়ে বহরে বেড়ে ওঠা নয়, বাড়ে দেখাশোনায় , বাড়ে অভিজ্ঞতায়। বাড়ে যন্ত্রণায়! সর্বংসহা হয়ে ওঠা এদের
Read More- সুভাশিস ঘোষ মুখগুলো যেমন ভাঙাচোরা। অনেকটা ফুটিফাটা, ভাঙা কাচের আয়নার ওপর মানুষের প্রতিফলন পড়লে যেমন মানুষের ভঙাচোরা অস্তিত্ব তৈরি হয়, ঠিক তেমনই অদ্ভুত ছায়াময় সব অস্তিত্ব আমার চোখের সামনে ভেসে ওঠে। গোটা একটা মানুষ আমি আর দেখি না। মানুষের বদলে ছোট ছোট কালো বিন্দু যেন চোখের সামনে ঘোরাফেরা করে। আমার
Read More- সন্দীপ রায় আমি অভিমন্যু। আজ আমার জন্মদিন। জন্মদিনে আমি আপনাদের সবাইকে একটা উপহার দিতে চাই। চমকে গেলেন তো? স্বাভাবিক। জন্মদিনে বার্থ ডে বয়ের উপহার পাওয়াটাই দস্তুর। কিন্তু আমি সে বান্দা নই। ওসব রিটার্ন গিফট টিফট নয়, আমি নিজে আমার জন্মদিন উপলক্ষে জাতির উদ্দেশ্যে একটি উপহার প্রদান করতে চাই। এখানে ‘দিতে
Read More- সুজিত চৌধুরী (চন্দ্রযান ৩ এর সফল অবতারণ ঘিরে এই গল্পের সব চরিত্র ও ঘটনা কাল্পনিক) মোবাইলটা একনাগাড়ে বাজছিল, ইজি চেয়ারে আধশোয়া অবস্থায় গভীর চিন্তায় মগ্ন ছিলেন বিশ্ববিখ্যাত জ্যোতির্পদার্থবিদ ডাঃ কপিলেশ্বর মিশ্র, হঠাৎ পাশের টেবিলে ফোনটার আওয়াজ খেয়াল হতেই তাড়াতাড়ি মোবাইলটা ওঠালেন। ওদিক থেকে স্ত্রী সুমিতার চিন্তিত গলা, “অনেকক্ষণ ফোন করছি তোমাকে,
Read More- শ্যামলী আচার্য একটা গল্প লিখে জমা দেওয়ার জন্য খুব তাড়া দিচ্ছিলেন সন্দীপ। খুবই তাড়া যাকে বলে। ধরুন খেতে বসব, ভাতের থালায় দু-হাতা ডালের পাশে টুং। শব্দটা থালা-হাতা সংঘাতজনিত নয়। মোবাইলের। একটিমাত্র শব্দ অনেকটা গভীর বাণীর মতো হয়ে উঠতে পারে। মোবাইলের আলোকিত পর্দায় ভেসে ওঠে, গল্পটা কবে দিচ্ছেন? এমন চলে। আমার মতো
Read More- সুজিত চৌধুরী শক্ত হাট্টাকাট্টা মানুষটা তিন মাসে কেমন দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে শুকিয়ে গেল। ধনঞ্জয়ের চোখগুলো পর্যন্ত বসে যাওয়া গালের পিছনের কোটর থেকে যেন বেরিয়ে আসছে। চোখ বুজলেই ও দেখে বাতাসে ভারী ধুলো ভাসছে, চারপাশে বুড়ো কুকুরের পিঠের ঘায়ের মতো গোলাপি ধুসর এবড়ো খেবড়ো পাথর খাদানের গর্ত থেকে পোকার মতো সাদা সাদা
Read More- সন্দীপ রায় “বাংলা বিহার উড়িষ্যার পূর্বতন রাজধানী মুর্শিদাবাদে আপনাকে স্বাগত”, স্পষ্ট, কাটা কাটা করে বলা কথাগুলো কানে এলো প্রিয়মের। স্বর যদিও কিছুটা স্তিমিত। কে ওকে স্বাগত জানালো, প্রিয়ম বুঝতে পারল না। ও আশেপাশে কাউকে দেখতে পেল্ না। এই জায়গাটা, মানে মুর্শিদাবাদ স্টেশনের লাগোয়া চত্বরটা এখন বেশ ফাঁকা। প্রিয়ম একাই একটা
Read Moreবিশেষ রচনা
- অরিজিৎ বিষ্ণু ভারতের উচ্চশিক্ষাসংক্রান্ত প্রতিষ্ঠান মূলত দু’ধরনের– হয় ইউনিয়ন সরকার বা রাজ্যসরকার প্রতিষ্ঠিত কিংবা কয়েকজন প্রতিভাবান ব্যক্তি-মানুষের দূরদর্শিতার ফসল। দ্বিতীয় ধরনের মধ্যে পড়ে হোমি জাহাঙ্গির ভাবা প্রতিষ্ঠিত টাটা ইনস্টিটিউট অফ ফান্ডামেন্টাল রিসার্চ (TIFR); জে. এন টাটার ইন্ডিয়ান ইনস্টিটিউট অফ সায়েন্স; পণ্ডিত মদন মোহন মালবীয় স্থাপিত বেনারস হিন্দু ইউনিভার্সিটি বা স্যার
Read More- পথিক বসু প্রতিবাদ প্রতিরোধ আন্দোলনের একটি প্রাচীন ও মান্য ধারা আছে। এটা আমার কথা না, গান্ধির কথা। সেটা হলো — সমুচিত জবাব। ইঁটের বদলে পাটকেল। চড় মারতে এলে তুমিও চড় মারবে। গান্ধি (নোয়াখালী পর্বে) জানিয়েছিলেন, তাঁর পথটি তুলনায় নতুন, সে নিয়ে তিনি পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে যাচ্ছেন, শেষ কথার তো প্রশ্নই নেই।
Read More- কুণাল দেব (উনত্রিংশ বর্ষ প্রথম-দ্বিতীয় সংখ্যা আগস্ট ২০২৫-এ প্রকাশিত প্রথম পর্বের পর ) দ্বিতীয় পর্ব আমার আত্মপরিচয়ের যে সেট (ছক-বন্দী) অবস্থান, যেখানে আমি প্রতিদিন তাৎক্ষণিক ‘ভালো থাকা’র লাভ-লোকসানের হিসেব কষে বাঁচি । বলা ভালো, বহু মানুষের ভালো না থাকার বিনিময়ে। অনেক সময়ে না বুঝে। অনেক সময় বুঝেও না বোঝার ভান করে। এটাই
Read Moreনির্মল কুমার বসু অনুবাদঃ অম্লান বিশ্বাস মহাত্মা গান্ধীর ঘনিষ্ঠ সহযোগী এবং বিশিষ্ট পণ্ডিত অধ্যাপক নির্মল কুমার বসু গৌহাটি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম মহাত্মা গান্ধী ভিজিটিং প্রফেসর হিসাবে দুটি পর্যায়ে মোট বারোটি বক্তৃতা করেন ১৬ ডিসেম্বর ১৯৬৯ থেকে ১১ জানুয়ারি ১৯৭০ এর মধ্যবর্তী সময়কালে। এই পর্যায়ে দশম বক্তৃতার শিরোনাম ছিল ক্যাবিনেট মিশনের প্রস্তাব ও দেশভাগ।
Read More- প্রণতি মুখোপাধ্যায় নমস্তেহস্তু আত্মদীপের উজ্জ্বল আলোয় ফ্লোরেন্স নাইটিঙ্গেল ১, রাতের অন্ধকারে যুদ্ধক্ষেত্রে ঘুরতেন। হাতে প্রদীপের আলো, মুমূর্ষু কোনো সৈনিকের মুখে দিতেন জল, নিবারণ করতেন তাঁর তৃষ্ণাটুকু। তাঁরই যোগ্য উত্তরাধিকারী মাদার টেরিসা২ , মৃত্যু অপেক্ষায় থাকা পথবাসীদের জন্য তাঁর ‘নির্মল হৃদয়’। সেখানে তাদের শেষ সেবাটুকু দিতে চেয়েছেন। কত অবাঞ্ছিত বা অবৈধ নবজাতক
Read More- প্রণতি মুখোপাধ্যায় সূচনা রামায়ণ ভারতবর্ষের সবচেয়ে জনপ্রিয় পুরাণ কথা। অন্যটি মহাভারত। তবে রামায়ণ শুধু পুরাণ নয়। সেই কোন সুদূর অতীতের রামায়ণ অনায়াসে উঠে আসে বর্তমানের রাজনীতির আঙিনায়। এই তো সেদিন ভারতীয় জনতা পার্টির সর্বভারতীয় নেতা এল.কে. আদবানী পুরাণের রামকে ফিরিয়ে আনলেন তার রথযাত্রায়। শুরু হল ভারতীয় রাজনীতিতে হিন্দুত্ববাদের আবির্ভাব এবং ক্ষমতা
Read More- সুজিত চৌধুরী আমাদের দেশের গ্রামীণ অর্থনীতি গভীরভাবে জল ও প্রাকৃতিক সম্পদের ব্যবহার ও ব্যবস্থাপনার সাথে জড়িয়ে, কারণ ৬৫% ভারতীয়, কৃষির উপর নির্ভরশীল আর কৃষি উৎপাদনশীলতা সরাসরি জল এবং মাটির মতো প্রাকৃতিক সম্পদের সঙ্গে যুক্ত । ভারতে ৫০০০ এর বেশি বড় নদী বাঁধ ও তাদের ক্যানেল নির্ভর সেচ দেশের পুরো সেচ
Read More- অজিত কুমার দাস (জানুয়ারি ২০২৫, অষ্টবিংশ বর্ষ তৃতীয়-চতুর্থ সংখ্যায় প্রকাশিত অংশের পর) ৮ দেশের স্বাধীনতা আসছে। ভারতবর্ষ স্বাধীন হচ্ছে। আমরা স্বাধীন হচ্ছি। প্রমোদবাবু স্যার ব্যতিক্রমী চিন্তার মানুষ। ইংরাজ-ভক্ত। ১৯২০ সালে তিনি অসহযোগ আন্দোলনে যোগ দিয়ে কারাবরণ করেছিলেন। দুমাস পর কারামুক্ত হয়ে বাইরে এলেন একেবারে অন্য মানুষ। ইংরাজভক্ত সেই থেকে। তাঁর চিন্তাভাবনা, যুক্তি বিচার
Read More- কুণাল দেব স্তব্ধ নদী খাত জুড়ে শুকনো বালির বহমান শূন্যতা, ভূ-গর্ভের পান-যোগ্য জলের স্তর ক্রমশ তলিয়ে যাচ্ছে আরও গভীরতর অতল পাতালে, তপ্ত আর অ্যাসিডিফাই হয়ে উঠেছে মহাসাগর, জ্বলছে মাটি, দম বন্ধ হয়ে পড়েছে পৃথিবীর বাতাস। একের পর এক দ্রুত বিলুপ্ত হচ্ছে অসংখ্য প্রাণী ও উদ্ভিদ প্রজাতি। প্রতিদিন ঘর হারাচ্ছে, ঠাঁই-নাড়া
Read More- সোমনাথ আজ দুপুরে, বসেছিলাম মাটির এক গোল ইস্কুল ঘরে। আমার এই গ্রামের সাথে অনেক দিনকার সম্পর্ক। হয়তো সময় মেপে দেখতে গেলে সাত বছর, কিন্তু সময়কে যদি পরিবর্তন এর মাপকাঠি হিসেবে ধরি, তাহলে যেন এক জন্ম কেটে গেছে এখানে। অন্তর ও বাহিরের পরিবর্তন। মধ্য ভারতের বেশির ভাগ গ্রামের মতই এই গ্রামটাও
Read More
সুব্রত মজুমদার
(৪ নভেম্বর ১৯৬১ – ৬ জুন ২০২৩)
পরিকল্পনা সম্পাদনা বিন্যাস
রূপায়ণ ও সহায়তা
অজন্তা ঘোষ, অম্লান বিশ্বাস, অরিন্দম পাল, কুণাল দেব, গীতা সোম, চন্দ্রানী মুখোপাধ্যায় জয়শ্রী গাঙ্গুলি জয়া মিত্র দিলীপ রায়, প্রণব বন্দ্যোপাধ্যায় প্রবীর মুখোপাধ্যায় বিজয়া চন্দ রুণা বসু, শৈবাল দত্ত, সন্দীপ রায়
এই সংখ্যা নির্মাণে সবিশেষ কৃতজ্ঞতা
গৌতম বন্দ্যোপাধ্যায়, সুজিত চৌধুরী, অশোক প্রামাণিক, সুবিমল ভট্টাচার্য, পূর্ণব্রত মিত্র. পার্থ দে ও মনোজ দে
এই সংখ্যা নির্মাণে সবিশেষ কৃতজ্ঞতা
গৌতম বন্দ্যোপাধ্যায়, সুজিত চৌধুরী, অশোক প্রামাণিক, সুবিমল ভট্টাচার্য, পূর্ণব্রত মিত্র. পার্থ দে ও মনোজ দে
প্রচ্ছদ ও প্রতিকৃতি
সমীর ভট্টাচার্য
বিন্যাস ও অলঙ্করণ
অর্ঘ্য বন্দ্যোপাধ্যায়
সহযোগী সম্পাদক
জয়হিন্দ বসু
সম্পাদক
প্রশান্ত চট্টোপাধ্যায়
প্রচ্ছদ | সেপ্টেম্বর ২০২৩
Categories
- অনুবাদ (16)
- কবিতা (36)
- গল্প (25)
- দলিল (1)
- পাঠ প্রতিক্রিয়া (2)
- বই যাপন (8)
- বিশেষ রচনা (110)
- রিপোর্ট (3)
- শিকড়ের খোঁজে (6)
- সমকালীন ভাষ্য (24)
- সাক্ষাৎকার (2)
- স্মরণ (30)
