
বস্তু জগতের বাধা নিয়মের মাঝেই ছন্দোবদ্ধ পথ চলা, একে অপরকে পাশ কাটাকাটি। সহজে শৈবাল বলেই দিয়েছেন অন্ধকার ইকুয়াল টু কালো। সর্বত্র প্রবেশ প্রস্থানের দরজা নেই। তবে কি সেখানে আলো পৌঁছায় না! সেখানে কেবলই ধাক্কাধাক্কি গুঁতোগুঁতি! সত্য নয়। সবুর করো, দ্যাখো, আলোর ঝলকানি দেখতে পেয়েছ! এবার চেহারা এক বা একাধিক অথবা তারও বেশি, মনে হয় যেন স্যিলুয়েটি নড়াচড়া। আলো আঁধারের চিরন্তন রতি। প্রণত হবার মধ্যে কোন আলো নেই কালো নেই, যথা রবিকথা, আজ আমার প্রণতি গ্রহণ করো পৃথিবী। সাদা সেলাম কালো সেলাম তাঁকে, যিনি জানেন সন্ধান।
শৈবালের সাংগঠনিক কাজ সম্পর্কে লিখতে বা বলতে গেলে হাঁফ ধরে যাবে। তারচেয়ে বরং থাক তার চিত্রকরতা নিয়ে এই অল্পে বিস্তর কিছু লেখা। তবে তা বিস্তারে অল্প নয়।
শৈবাল তার সব শেষ ছবি ২০২৫- এ আঁকা সম্পর্কে লিখেছে:
‘আমার ছবি প্রতিনিয়ত দর্পণে প্রতিবিম্বিত যেন কেঁপে ওঠা আত্ম- সমর্পণ। তাই ‘নীল উচ্ছ্বাস’ এক সমাবর্তন যেন। কাগুজে সাজগোজের গা বেয়ে আমার সরীসৃপ চাহনি। তোমার অন্তর্বাস ছিঁড়ে ছিঁড়ে যায় আকাশের বজ্রপাতে, দুই প্রজাপতির ডানায়।’
দেবীপ্রসাদ বসু
বুধবার. ২৫ কার্তিক ১৪৩২, ১২ নভেম্বর ২০২৫
