ধূসর, ধূসরতর ১. কী দেখতে চাইছ তুমি ক্যামেরার লেন্স জুম করে—ক্ষমা চাইবার জন্য প্রস্তুত ছিল না কোনও মুখ জেব্রা ক্রসিংয়ের সাদা রঙেহালকা কিছু ছোপ পড়েছিল—লালের শিল্পের, কৃষির বিপ্লব গিয়েছে বুঝি ওই পথে?আত্মহত্যার সমৃদ্ধি যোজনা! কতদূর দেখতে চাইছ তুমি ক্যামেরায়?তুমিও মেনেছ শেষমেষ—বহু ডুবন্ত পাহাড় সমুদ্রকে বেঁধে রেখেছেকথামালার এই দেশে! ২. প্ল্যাকার্ড জুড়ে দখলদারিআর ভাবছেন, পরিকল্পনা মাফিক সাফাই অভিযানের
Read MoreHome
Categories
- অনুবাদ (15)
- কবিতা (35)
- গল্প (24)
- দলিল (1)
- পাঠ প্রতিক্রিয়া (2)
- বই যাপন (6)
- বিশেষ রচনা (100)
- রিপোর্ট (3)
- শিকড়ের খোঁজে (6)
- সমকালীন ভাষ্য (23)
- সাক্ষাৎকার (2)
- স্মরণ (29)
বাংলা সাময়িক পত্রিকা কালধ্বনি
চল্লিশ বছর ধরে পথ চলা বাংলা সাময়িক পত্রিকা কালধ্বনি সামাজিক অর্থনৈতিক সাংস্কৃতিক বিষয়াবলী নিয়ে গভীর অনুসন্ধিৎসু, তা নিয়ে স্বাধীন স্বরে কথা বলে। তা লেখা, গান বা অন্য যে কোনো সৃষ্টি মাধ্যমই হোক না কেন! আজ 'আমরা' যে চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি, তার অন্তর্দৃষ্টিমূলক বিশ্লেষণ ও বহুমুখীনতাকে কালধ্বনি তুলে ধরে, লালন করে।কালধ্বনি পরিবেশ-সচেতনতা নিয়ে কথা বলে পাঠকের দায়িত্বকে মান্যতা দেয়, তাঁকে প্রতর্কে উৎসাহ যোগায়।কালধ্বনি প্রশ্ন তোলে, মানুষের পক্ষ নেয়, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক বিষয়ে নিজস্বতার স্বরকে তুলে ধরে। আমাদের ওপর শাসনের দণ্ড চাপিয়ে দেওয়ার জন্য যে কোনো বিভাজনের বিরুদ্ধে কালধ্বনি প্রশ্ন তোলার স্পর্ধা দেখায়! কালধ্বনি সেই বহতা নদীর মতো, যে সমস্ত উপলবাধাকে উপেক্ষা করে, খোলামনের আলোচনা ও তর্কবিতর্কের মধ্যে দিয়ে চিরপ্রবহমান থাকতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।
বাংলা সাময়িক পত্রিকা কালধ্বনি
না-ভেবে ছুড়েছি জাল না-ভেবে ছুড়েছি জাল, চাঁদ ফেঁসে গ্যাছে। জালে ম্যালা জ্যোৎস্না-চাঁদা, নক্ষত্র-মৌরলাছাড়াতে পারছি না আমি। টানাটানি হলেঘাই ছিঁড়ে যাবে। থাকো তবে জাল থাকো, এভাবে আকাশে গোল হয়ে। আমার অনেক হয়ে আছেঃনারী ও পুকুর-ঘাট, জলসেঁচি, কুটুম্ব-পাখিরা…খালুই আতিথ্য নিতে আর পারছে নাতার এখন দশা টুবুটুবু। আমারও এ-গালে জ্যোৎস্না, ও-গালে গভীর অমারাত।অন্তিম জালের দড়ি শূন্য থেকে নামছে
Read Moreবয়স জলের রংটি সবুজ এবং কালচে(যেন) বিছিয়ে রয়েছে মনোরম এক গালচেভাসমান দুটি পরিযায়ী হাঁস আঁকাতারপরে আর কিছু নেই… শুধু ফাঁকা। ওইদিকে গেলে আকাশ ছুঁয়েছে সন্ধেসারস ডাকছে মাছেদের ভাইবোনদের।রোজ দুই বেলা পার হয়ে যাই খাঁড়িজলের প্রকৃত পাশে আমাদের বাড়ি। আমরা দুজনে ভুবনডাঙায় বন্দিবয়স বাড়ছে, অবসরে আঁটি ফন্দিকোথায় পালাব… জল উঠে আসে পাড়েযাবৎ-শরীর ছুঁয়ে যায়
Read More- ‹ Previous Post
- 1
- …
- 44
- 45
- 46
- 47
- 48
- …
- 70
- Next Post ›
বাংলা সাময়িক পত্রিকা কালধ্বনি
ধূসর, ধূসরতর ১. কী দেখতে চাইছ তুমি ক্যামেরার লেন্স জুম করে—ক্ষমা চাইবার জন্য প্রস্তুত ছিল না কোনও মুখ জেব্রা ক্রসিংয়ের সাদা রঙেহালকা কিছু ছোপ পড়েছিল—লালের শিল্পের, কৃষির বিপ্লব গিয়েছে বুঝি ওই পথে?আত্মহত্যার সমৃদ্ধি যোজনা! কতদূর দেখতে চাইছ তুমি ক্যামেরায়?তুমিও মেনেছ শেষমেষ—বহু ডুবন্ত পাহাড় সমুদ্রকে বেঁধে রেখেছেকথামালার এই দেশে! ২. প্ল্যাকার্ড জুড়ে দখলদারিআর ভাবছেন, পরিকল্পনা মাফিক সাফাই অভিযানের
Read Moreনা-ভেবে ছুড়েছি জাল না-ভেবে ছুড়েছি জাল, চাঁদ ফেঁসে গ্যাছে। জালে ম্যালা জ্যোৎস্না-চাঁদা, নক্ষত্র-মৌরলাছাড়াতে পারছি না আমি। টানাটানি হলেঘাই ছিঁড়ে যাবে। থাকো তবে জাল থাকো, এভাবে আকাশে গোল হয়ে। আমার অনেক হয়ে আছেঃনারী ও পুকুর-ঘাট, জলসেঁচি, কুটুম্ব-পাখিরা…খালুই আতিথ্য নিতে আর পারছে নাতার এখন দশা টুবুটুবু। আমারও এ-গালে জ্যোৎস্না, ও-গালে গভীর অমারাত।অন্তিম জালের দড়ি শূন্য থেকে নামছে
Read Moreবয়স জলের রংটি সবুজ এবং কালচে(যেন) বিছিয়ে রয়েছে মনোরম এক গালচেভাসমান দুটি পরিযায়ী হাঁস আঁকাতারপরে আর কিছু নেই… শুধু ফাঁকা। ওইদিকে গেলে আকাশ ছুঁয়েছে সন্ধেসারস ডাকছে মাছেদের ভাইবোনদের।রোজ দুই বেলা পার হয়ে যাই খাঁড়িজলের প্রকৃত পাশে আমাদের বাড়ি। আমরা দুজনে ভুবনডাঙায় বন্দিবয়স বাড়ছে, অবসরে আঁটি ফন্দিকোথায় পালাব… জল উঠে আসে পাড়েযাবৎ-শরীর ছুঁয়ে যায়
Read More