+ Read the Latest Issue

বাংলা সাময়িক পত্রিকা কালধ্বনি

চল্লিশ বছর ধরে পথ চলা বাংলা সাময়িক পত্রিকা কালধ্বনি সামাজিক অর্থনৈতিক সাংস্কৃতিক বিষয়াবলী নিয়ে গভীর অনুসন্ধিৎসু, তা নিয়ে স্বাধীন স্বরে কথা বলে। তা লেখা, গান বা অন‍্য যে কোনো সৃষ্টি মাধ‍্যমই হোক না কেন! আজ 'আমরা' যে চ‍্যালেঞ্জের মুখোমুখি, তার অন্তর্দৃষ্টিমূলক বিশ্লেষণ ও বহুমুখীনতাকে কালধ্বনি তুলে ধরে, লালন করে।কালধ্বনি পরিবেশ-সচেতনতা নিয়ে কথা বলে পাঠকের দায়িত্বকে মান‍্যতা দেয়, তাঁকে প্রতর্কে উৎসাহ যোগায়।কালধ্বনি প্রশ্ন তোলে, মানুষের পক্ষ নেয়, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক বিষয়ে নিজস্বতার স্বরকে তুলে ধরে। আমাদের ওপর শাসনের দণ্ড চাপিয়ে দেওয়ার জন্য যে কোনো বিভাজনের বিরুদ্ধে কালধ্বনি প্রশ্ন তোলার স্পর্ধা দেখায়! কালধ্বনি সেই বহতা নদীর মতো, যে সমস্ত উপলবাধাকে উপেক্ষা করে, খোলামনের আলোচনা ও তর্কবিতর্কের মধ্যে দিয়ে চিরপ্রবহমান থাকতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

বাংলা সাময়িক পত্রিকা কালধ্বনি

- অজিত কুমার দাস (কালধ্বনি জানুয়ারি ২০২৪ সপ্তবিংশ বর্ষ তৃতীয়-চতুর্থ সংখ্যার পর) মেহেরপুর শহরের ভিতর আমাদের একটা ছোট বাঁশবাগান ছিল। চারপাশেই মুসলমান পল্লী। অধিকাংশই কুঁড়ে ঘর। দরিদ্র শ্রমজীবী পরিবারের বাস। তাদের সঙ্গে আমাদের শর্ত ছিল যে ওপাড়ার কারোও মৃত্যু হলে তাকে গোরস্থানে নিয়ে যাবার জন্য একখানা বাঁশ কেটে নিতে পারবে। সে জন্য

Read More

- সঞ্জয় মুখোপাধ্যায় গ্যালিফ স্ট্রিট থেকে আমরা মন্থর চরণে রাজবল্লভ পাড়া পর্যন্ত হেঁটে এসে বুঝতে পারি এ কলকাতা আর আমাদের নেই৷  গিরিশ ঘোষের বাড়ির পাশে চিনে খাবারের দোকান। এই দেখে সমীর গতি বাড়ায়৷  গাঙ্গেয় কলকাতায় সে দেখতে পায় ঈশ্বরের মরদেহ গরানহাটায় পড়ে আছে৷  কেন যে রোদ্দুর, কেন যে নিমডালে কাক, কেন

Read More

- সুনন্দ কুমার সান্যাল আজকাল আর কেউ  লিখতে বসে কলম কামড়ায় না। কলমের ব্যবহারই উঠে গেছে প্রায়। তাই ল্যাপটপের কীবোর্ডে আঙুল ছুঁইয়ে ভাবছিলাম কী লিখি।  কীভাবে দু-চার কথায় ধারণা দিই প্রায় অর্ধ শতাব্দীর এক সম্পর্কের, অজস্র ঘটনার স্মৃতির, জীবনের বিচিত্র চড়াই-উৎরাই পেরিয়ে এক দীর্ঘ বন্ধুত্বের  অভিজ্ঞতার। এরকম স্মৃতিচারণ সাধারণ পরিচিত বা

Read More

বাংলা সাময়িক পত্রিকা কালধ্বনি

- অজিত কুমার দাস (কালধ্বনি জানুয়ারি ২০২৪ সপ্তবিংশ বর্ষ তৃতীয়-চতুর্থ সংখ্যার পর) মেহেরপুর শহরের ভিতর আমাদের একটা ছোট বাঁশবাগান ছিল। চারপাশেই মুসলমান পল্লী। অধিকাংশই কুঁড়ে ঘর। দরিদ্র শ্রমজীবী পরিবারের বাস। তাদের সঙ্গে আমাদের শর্ত ছিল যে ওপাড়ার কারোও মৃত্যু হলে তাকে গোরস্থানে নিয়ে যাবার জন্য একখানা বাঁশ কেটে নিতে পারবে। সে জন্য

Read More

- সঞ্জয় মুখোপাধ্যায় গ্যালিফ স্ট্রিট থেকে আমরা মন্থর চরণে রাজবল্লভ পাড়া পর্যন্ত হেঁটে এসে বুঝতে পারি এ কলকাতা আর আমাদের নেই৷  গিরিশ ঘোষের বাড়ির পাশে চিনে খাবারের দোকান। এই দেখে সমীর গতি বাড়ায়৷  গাঙ্গেয় কলকাতায় সে দেখতে পায় ঈশ্বরের মরদেহ গরানহাটায় পড়ে আছে৷  কেন যে রোদ্দুর, কেন যে নিমডালে কাক, কেন

Read More

- সুনন্দ কুমার সান্যাল আজকাল আর কেউ  লিখতে বসে কলম কামড়ায় না। কলমের ব্যবহারই উঠে গেছে প্রায়। তাই ল্যাপটপের কীবোর্ডে আঙুল ছুঁইয়ে ভাবছিলাম কী লিখি।  কীভাবে দু-চার কথায় ধারণা দিই প্রায় অর্ধ শতাব্দীর এক সম্পর্কের, অজস্র ঘটনার স্মৃতির, জীবনের বিচিত্র চড়াই-উৎরাই পেরিয়ে এক দীর্ঘ বন্ধুত্বের  অভিজ্ঞতার। এরকম স্মৃতিচারণ সাধারণ পরিচিত বা

Read More