- তমোনাশ ভট্টাচার্য মৃত্যুর আগে-পরে মাছরাঙা যেভাবে জলে ঝাঁপ দেয়সেভাবেই ঝুপ করে সন্ধ্যা নামে এই নগরীতেএখনও হেমন্ত রয়ে গেছে,যদিও শহরে তার কোনো চিহ্ন নেইতবুও সন্ধ্যা নামে, দ্রুত, অন্ধকারে সন্ধ্যা নামে আকাশের গাএ,গোধূলির সবটুকু আলো শুষে নিয়েমেঘেরাও ঘরে ফেরেধূসর বাড়িগুলো, ধূসরতর ঘরআলোর অপেক্ষা নিয়ে পোকামাকড়ের সাথে কথা বলে সন্ধ্যা নামে একা একা,রমণেচ্ছু বেড়ালের মতোচুপিসারে, তার নখে
Read MoreHome
Categories
- অনুবাদ (15)
- কবিতা (35)
- গল্প (24)
- দলিল (1)
- পাঠ প্রতিক্রিয়া (2)
- বই যাপন (6)
- বিশেষ রচনা (100)
- রিপোর্ট (3)
- শিকড়ের খোঁজে (6)
- সমকালীন ভাষ্য (23)
- সাক্ষাৎকার (2)
- স্মরণ (29)
বাংলা সাময়িক পত্রিকা কালধ্বনি
চল্লিশ বছর ধরে পথ চলা বাংলা সাময়িক পত্রিকা কালধ্বনি সামাজিক অর্থনৈতিক সাংস্কৃতিক বিষয়াবলী নিয়ে গভীর অনুসন্ধিৎসু, তা নিয়ে স্বাধীন স্বরে কথা বলে। তা লেখা, গান বা অন্য যে কোনো সৃষ্টি মাধ্যমই হোক না কেন! আজ 'আমরা' যে চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি, তার অন্তর্দৃষ্টিমূলক বিশ্লেষণ ও বহুমুখীনতাকে কালধ্বনি তুলে ধরে, লালন করে।কালধ্বনি পরিবেশ-সচেতনতা নিয়ে কথা বলে পাঠকের দায়িত্বকে মান্যতা দেয়, তাঁকে প্রতর্কে উৎসাহ যোগায়।কালধ্বনি প্রশ্ন তোলে, মানুষের পক্ষ নেয়, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক বিষয়ে নিজস্বতার স্বরকে তুলে ধরে। আমাদের ওপর শাসনের দণ্ড চাপিয়ে দেওয়ার জন্য যে কোনো বিভাজনের বিরুদ্ধে কালধ্বনি প্রশ্ন তোলার স্পর্ধা দেখায়! কালধ্বনি সেই বহতা নদীর মতো, যে সমস্ত উপলবাধাকে উপেক্ষা করে, খোলামনের আলোচনা ও তর্কবিতর্কের মধ্যে দিয়ে চিরপ্রবহমান থাকতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।
বাংলা সাময়িক পত্রিকা কালধ্বনি
- সাধন চট্টোপাধ্যায় গল্পের পাতা থেকে , শব্দটি ছাপার পোষাক বদলে ,আমার বুকের অতলে ঢুকে গেল। বইটা রেখে, জানলা ধরে তাকিয়ে রইলাম। তা-কি-য়ে-ই রইলাম। আমার নাকের রন্ধ্রপথে স্মৃতির নিঃশ্বাস। বিস্ময় হল, কত যুগ পর একটা পরিচিত, মুখে মুখে ঘোরা শব্দ, বইয়ের পাতায় হঠাৎ আমার নজরে এল। একটা নাম। ব্যথায়, শিহরণে, রহস্যে, ভেতরটা ক্রমাগত মোচড়াতে
Read More- সুনেত্রা সাধু ‘দি টিউলিপ বার’, সাইনবোর্ডে ঝোলানো নামে ফুলের বাহার থাকলেও বারের ভিতরের চেহারাটা প্রায় নরকতুল্য। তাই বলে খদ্দেরের অভাব আছে তেমনটা নয়। ‘গুলজার’ শব্দটা নরকের পাশেই বেশি মানায়, তাই মাঝ রাতেও ‘দি টিউলিপ বার’ থেকে ভেসে আসে উন্মত্ত উল্লাস… সেই উল্লাসে কতটা কান্না আর কতটা হা-হুতাশ মিশে থাকে তা অবশ্য
Read More- ‹ Previous Post
- 1
- …
- 40
- 41
- 42
- 43
- 44
- …
- 70
- Next Post ›
বাংলা সাময়িক পত্রিকা কালধ্বনি
- তমোনাশ ভট্টাচার্য মৃত্যুর আগে-পরে মাছরাঙা যেভাবে জলে ঝাঁপ দেয়সেভাবেই ঝুপ করে সন্ধ্যা নামে এই নগরীতেএখনও হেমন্ত রয়ে গেছে,যদিও শহরে তার কোনো চিহ্ন নেইতবুও সন্ধ্যা নামে, দ্রুত, অন্ধকারে সন্ধ্যা নামে আকাশের গাএ,গোধূলির সবটুকু আলো শুষে নিয়েমেঘেরাও ঘরে ফেরেধূসর বাড়িগুলো, ধূসরতর ঘরআলোর অপেক্ষা নিয়ে পোকামাকড়ের সাথে কথা বলে সন্ধ্যা নামে একা একা,রমণেচ্ছু বেড়ালের মতোচুপিসারে, তার নখে
Read More- সাধন চট্টোপাধ্যায় গল্পের পাতা থেকে , শব্দটি ছাপার পোষাক বদলে ,আমার বুকের অতলে ঢুকে গেল। বইটা রেখে, জানলা ধরে তাকিয়ে রইলাম। তা-কি-য়ে-ই রইলাম। আমার নাকের রন্ধ্রপথে স্মৃতির নিঃশ্বাস। বিস্ময় হল, কত যুগ পর একটা পরিচিত, মুখে মুখে ঘোরা শব্দ, বইয়ের পাতায় হঠাৎ আমার নজরে এল। একটা নাম। ব্যথায়, শিহরণে, রহস্যে, ভেতরটা ক্রমাগত মোচড়াতে
Read More- সুনেত্রা সাধু ‘দি টিউলিপ বার’, সাইনবোর্ডে ঝোলানো নামে ফুলের বাহার থাকলেও বারের ভিতরের চেহারাটা প্রায় নরকতুল্য। তাই বলে খদ্দেরের অভাব আছে তেমনটা নয়। ‘গুলজার’ শব্দটা নরকের পাশেই বেশি মানায়, তাই মাঝ রাতেও ‘দি টিউলিপ বার’ থেকে ভেসে আসে উন্মত্ত উল্লাস… সেই উল্লাসে কতটা কান্না আর কতটা হা-হুতাশ মিশে থাকে তা অবশ্য
Read More